শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবারের পক্ষ থেকে গৃহীত উদ্যোগের ফলে জিয়াউর রহমানের নামে নামকরণকৃত রাস্তার নামফলক নামিয়ে ফেলা হয়েছে। সিটি মেয়রের সাথে এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাথে সাথেই তা কার্যকর করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোর সিটিতে গত তিন মাস আগে একটি স্ট্রিটের নামকরণ করা হয় জিয়াউর রহমানের নামে। জিয়াউর রহমানের নামে এই নামকরণের বিরুদ্ধে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিলেন।
লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর যুক্তির সপক্ষে প্রমাণপত্র ও দলিল দস্তাবেজ চেয়ে বসে সিটি মেয়র ব্রান্ডন এম স্কট। দেশ থেকে এসব প্রমাণাদি এনে তা জমা দেওয়া হয় পিটিশন আকারে, সাথে পাঁচ শতাধিক স্বাক্ষরসহ তা জমা দেওয়া হয়। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণের পর আবেদনকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীকে এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সময় প্রদান করা হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
এক বিশেষজ্ঞ প্যানেলসহ নেতৃবৃন্দ তাদের যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের হার্ডকপি প্রদানের অঙ্গীকার করেন। ফলে এই নামকরণ অপসারণের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়।
বলা হয় সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্ট এর কর্মীরা ইতোমধ্যেই ওই নামফলক সরিয়ে নিয়েছে। অতি দ্রুততার সঙ্গে এই নাম অপসারিত হয়।
শুরু থেকেই এ প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে ছিলেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী। তাকে সহযোগীতা করেন ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, শামীম চৌধুরী, এ্যাডভোকেট শাহ বখতিয়ার, মন্জুর চৌধুরী, এম এ করিম জাহাঙ্গীর, সাদেকুল বদরুজ্জামান পান্না, শরীফ কামরুল আলম হীরা, ফারুক হোসাইন, কায়কোবাদ খান, খন্দকার জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মেরিল্যান্ড সিটির মেয়র কর্তৃপক্ষের সাথে আজকের ভার্চুয়াল মিটিং-এ বাংলাদেশ থেকে যুক্ত ছিলেন এ্যপিলেট ডিভিশনের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, সিটি মেয়রের পক্ষে ক্যাটালিনা রড্রিগেজ, ডেভিড লিয়াম প্রমুখ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী পরিবারের নেতৃবৃন্দরা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ড. সেলিম মাহমুদ, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিব, দেওয়ান আশরাফ, নিউইয়র্কের স্থায়ী মিশনের প্রেস মিনিস্টার নূর এলাহী মিনা সহ সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।
এছাড়াও তারা বলেন, ভবিষ্যতেও আমরা এ প্রবাসের মাটিতে যে কোনো অপশক্তির নামে কোনো স্থাপনার নামকরণ করা হলে তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।